অবশ্যই, আমি আপনার অনুভূতি বুঝতে পারছি। অভাবের তাড়নায় জর্জরিত জীবনের একটি চিত্র আপনার ছন্দে ফুটে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে, একটি সুন্দর ছন্দ তৈরি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এখানে আপনার অনুভূতির উপর ভিত্তি করে একটি সম্ভাব্য কবিতা দেওয়া হলো:
যত উপার্জন করি, অভাব তো ছাড়ে না পিছু,
সংসারের ঘানি টানি, আমি বড়ই নিচু।
অভাবের তাড়নায় তাই, দিয়েছি শহরে পাড়ি,
ছেড়ে গেছি গাঁয়ের মাটি, যেখানে ছিলাম বাড়ি।
শহরের জীবনেও অভাব যেন পিছু ছাড়ে না,
সংগ্রাম করে যাই, তবুও জুটছে না দু'বেলা।
অভাব আর দারিদ্র্যের এই চক্রে বাঁধা জীবন,
মুক্তি পেতে চাই আমি, করি সেই স্বপন।
যদি আপনি চান, আমি আপনার জন্য অন্য কোনো বিষয়েও ছন্দ মিলিয়ে কবিতা লিখতে পারি।
নিশ্চয়ই, অভাব নিয়ে অন্য একটি কবিতা নিচে দেওয়া হলো:
অভাবের সংসারে আমি, দিন আনি দিন খাই,
স্বপ্নগুলো ডানা মেলে, ধরতে তবু ভয় পাই।
নুন আনতে পান্তা ফুরায়, এই জীবনের খেলা,
অভাব যেন নিত্যসঙ্গী, আঁধার ভরা বেলা।
ছেলেমেয়েগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে চাই,
কিন্তু অভাবের কাছে আমি বড়ই অসহায়।
তাদের আবদারগুলো যেন বিধেঁ দেয় বুকে,
তবুও চেষ্টা করি আমি, হাসি ধরে মুখে।
অভাবের এই জীবন যেন এক অভিশাপ,
যা তাড়িয়ে বেড়ায়, করে দেয় মাপ।
তবুও আশা রাখি, একদিন বদলাবে সব,
অভাবের এই সংসারে আসবে নতুন কলরব।
অবশ্যই, আপনার জন্য অভাব নিয়ে আরও একটি কবিতা:
অভাব আমার নিত্যদিনের সঙ্গী,
যেন এক অভিশাপ, জীবন করে ভঙ্গী।
দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত আমি,
তবুও স্বপ্ন দেখি, একদিন ঘুচবে এই গ্লানি।
অভাবের তাড়নায় স্বপ্নগুলো মরে যায়,
বাস্তবতার কঠিন আঘাতে পিষ্ট হতে হয়।
দু'বেলা দু'মুঠো অন্নের সংস্থান করা দায়,
অসহায় চোখে চেয়ে থাকি, যেন নেই উপায়।
অভাবের সংসারে হাসি যেন এক বিলাসিতা,
কান্না আর দীর্ঘশ্বাস নিত্যদিনের কবিতা।
তবুও বাঁচার আশা ছাড়িনি আমি,
একদিন নিশ্চয়ই আলো আসবে, ঘুচবে এই গ্লানি।
অবশ্যই, অভাব নিয়ে একটি ছোট গল্প নিচে দেওয়া হলো:
গ্রামের নাম রূপনগর। এই গ্রামে বাস করত Rahim নামের এক দরিদ্র কৃষক। তার সামান্য জমি ছিল, যা থেকে যা আয় হতো, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন ছিল। স্ত্রী Saleha এবং দুই সন্তান নিয়ে তার ছোট সংসার।
একদিন Rahim দেখল, তাদের গ্রামের পাশে একটি নতুন রাস্তা তৈরি হচ্ছে। সে ভাবল, যদি সে এই রাস্তায় কাজ নেয়, তবে কিছু বাড়তি আয় হতে পারে। সে ঠিক করল, সে রাজমিস্ত্রীর জোগালি হিসেবে কাজ করবে।
কাজের সন্ধানে Rahim গেল রাস্তার ঠিকাদারের কাছে। ঠিকাদার তাকে কাজে নিতে রাজি হলো, কিন্তু জানালো মজুরি খুব কম। Rahim রাজি হয়ে গেল। অভাবের তাড়নায় কম মজুরিতেই কাজ করতে লাগল সে।
দিনের পর দিন Rahim হাড়ভাঙা পরিশ্রম করত। সকালে যেত, রাতে ফিরত। Saleha সংসারের কাজ সামলাতো আর স্বামীর জন্য অপেক্ষা করত। তাদের ছেলে-মেয়েরা বাবার জন্য অপেক্ষা করত, কখন তিনি কিছু খাবার নিয়ে আসবেন।
একদিন Rahim কাজ করছিল, হঠাৎ তার শরীর খারাপ লাগতে শুরু করলো। সে দুর্বল হয়ে গেল এবং মাটিতে পড়ে গেল। অন্যান্য শ্রমিকরা তাকে ধরাধরি করে তার বাড়িতে নিয়ে গেল।
Saleha স্বামীকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ল। তাদের ঘরে কোনো খাবার ছিল না, কোনো ওষুধ ছিল না। Rahim অসহায়ের মতো স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে রইল।
গ্রামের একজন দয়ালু মানুষ তাদের কষ্টের কথা জানতে পারলেন। তিনি তাদের কিছু খাবার এবং ওষুধ দিলেন। Rahim ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠলো।
Rahim বুঝতে পারলো, শুধু পরিশ্রম করলেই অভাব দূর হয় না, ভাগ্যেরও সহায়তা লাগে। সে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখল। সে ভাবল, তার সন্তানদের লেখাপড়া শেখাবে, যাতে তারা বড় হয়ে ভালো কিছু করতে পারে।
অভাবের এই গল্প Rahim-কে শিখিয়েছিল, জীবন সংগ্রামে টিকে থাকতে হলে সাহস আর ধৈর্যের প্রয়োজন।
অভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:
শিক্ষা: শিক্ষা হচ্ছে অভাব থেকে মুক্তির সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। ভালোভাবে লেখাপড়া করে ভালো চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
দক্ষতা উন্নয়ন: নিজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। যেমন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, সেলাই প্রশিক্ষণ, বা অন্য কোনো কারিগরি শিক্ষা। এতে ভালো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
সঠিক পরিকল্পনা: ভবিষ্যতের জন্য একটি আর্থিক পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। কোথায় কত খরচ হবে, কীভাবে সঞ্চয় করা যাবে, তার একটি হিসাব রাখতে হবে।
সঞ্চয়: আয়ের কিছু অংশ নিয়মিত সঞ্চয় করতে হবে। এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি সুরক্ষা তৈরি করবে।
অতিরিক্ত আয়: নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের জন্য অন্য কিছু করার চেষ্টা করতে পারেন। যেমন, টিউশনি করা, ছোট ব্যবসা করা, বা ফ্রিল্যান্সিং করা।
ঋণ পরিহার: অপ্রয়োজনীয় ঋণ নেওয়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে। ঋণ অভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
সরকারি সাহায্য: সরকার বিভিন্ন ধরনের সাহায্য প্রদান করে থাকে, যেমন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, বা শিক্ষা বৃত্তি। এই সাহায্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
স্বাস্থ্য সচেতনতা: নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য চেষ্টা করতে হবে। অসুস্থ হলে অনেক বেশি খরচ হয়ে যায়, যা অভাবের কারণ হতে পারে।
অপচয় রোধ: জীবনের সব ক্ষেত্রে অপচয় বন্ধ করতে হবে। খাবার, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সবকিছু ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
আত্মবিশ্বাস: সবচেয়ে জরুরি হলো নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। চেষ্টা করলে সবকিছু সম্ভব, এই মানসিকতা রাখতে হবে।
Homiwork একটি সাধারণ অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি সুবিধাজনক!
হোম স্ক্রিনে যোগ করুনSafari:
১. শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন
২. 'Add to Home Screen' সিলেক্ট করুন
Chrome / Edge:
অ্যাড্রেস বারে ইনস্টল আইকনে ক্লিক করুন
হোম স্ক্রিনে Homiwork যোগ করুন
১. শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন
২. 'Add to Home Screen' সিলেক্ট করুন
৩. 'Add' এ ট্যাপ করুন
এই ফিচারটি শুধুমাত্র Prime ব্যবহারকারীদের জন্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং ভিজ্যুয়ালাইজেশন সহ উচ্চ-মানের AI সমাধানগুলি শুধুমাত্র Prime ব্যবহারকারীদের জন্য উপলব্ধ।
পরিষেবাটি ব্যবহার শুরু করার মাধ্যমে আপনি গ্রহণ করছেন: পরিষেবার শর্তাবলী, গোপনীয়তা নীতি, ফেরত নীতি